
সাইয়ারা, তু তো বদলা নাহি হ্যায়
এহন আবার মাইনষে গলা ফাইরা ফালাইতাছে, জেনজিগো কেমনে ডিল করতাম হেইটা শিখনের দরকার | কোম্পানিগুলাত জব্বর গুজব ছড়াইছে, জেনজিরা নাকি সব উল্টাইয়া দিব,
এমন টাইট কথাবার্তা নামাইতেছে |
এইসব কিচ্চা-ফিচ্চা লইয়া ট্রেনিং পর্যন্ত ডিজাইন করবার লাগছে |
আমি হালায় সাফ কইয়া দিলাম – এইডা হইলো মিথ |
আমরা ধোঁয়াশা বানাইবার লাগছি |
একখান টাইমফ্রেমে জন্মাইছে, এক খান কালচারে গেদা হইছে, দুনিয়ার কিছু বদলাও এক্সপেরিয়েন্স করছে – এমন একদল পোলা-মাইয়ারে আমরা একখান ক্যাচি নাম থাবাই দিছি- “জেনজি”।
পুরাই হাইপ | কইতাছে – হেরা নাকি অস্থির, নিজের দুনিয়াতে হাবলু, ব্রেইন নাকি টিকটিক করে জ্বলে, টেক-শেক বোঝে |
আজিব বাত |
এইহানে নতুনটা কী?
সব কালেই তো এই একই গল্প আছিল |
কাঁচা বয়সে আপনি আমি কি হালায় অন্য রকম আছিলাম? তখন কি পরানের ফেরেশতা আছিলাম?
বাইক কম স্পিডে চালাইবার পারতাম?
বিশেষ কইরা যহন প্রেমিকা পিছনে বইয়া থাকত (আবার বেশি বুইঝেন না) |
স্থির হইয়া বইসা থাকা – হালায় জীবনেও পারতাম না।
আপনা জগতে হালা মশগুল আছিলাম, জায়গায়-অজায়গায় ভেজাল লাগাইয়া ফিরতাম।
হালার, কবিতাভি ছাপতাম |
কারো কতা হুনবার চাইছি ?
প্রেমরে হালা ‘সবসে বড়া মাকাম’ দিসি না ?
নিজেরে আলাদা দেখাইবার লাইগা হাজারটা পাগলামি করছি,
ড্রেস, চেহারা, চুল আর কি কি হাবিজাবি জিনিসে যে এক্সপেরিমেন্ট করছি,
কইলেও আপনাগো বিশ্বাস আইবো না।
হেই সময় ক্যালকুলেটর আছিল,
আর তার আলা হেই মোটা গোল টেলিফোন, এক্কেবারে ক্লাসিক |
রেডিও বাজত, টাইপরাইটার খটখট করতো |
ক্যামেরা আছিল, ফিতা গুইনা ছবি তুলতে হইত |
ভিসিআর চলত, ভিডিও ক্যাসেট ভাড়া লইয়া মুভি দেইখা সুখ |
সাইয়ারা, এই লাইনটা বুকে লইয়া রাখেন।
ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার কিংবা ডায়াল আপ ইন্টারনেট ? আছিল তো |
ওই সময়ও কিছু লোক যন্ত্র দেইখ্যা ভয় পাইত,
আর কিছু লোক আবার যন্ত্র লইয়াই পাগল হইয়া ঘুইরা বেড়াইত |
এক্কেবারে আইজকার জেনজির মতোই ।
কি বদলাইছে ? কিছুই না |
হাত দুই খান, পাও দুই খান | বাড়ছে কি একটাও ?
দুই চোখের মইধ্যে পাইছেন নি একখান নয়া মনস্টার আই ?
ফক্কা |
তাও একদল কইবার লাগছে – জেনজি ! জেনজি !
আবে হালা, জেনজি–গেঞ্জি কি কোই বাত নেহি, ইস জেনজি তো হামারি লাইফ কা থোৱা সা ফ্ল্যাশব্যাক হ্যায়।
“সাইয়ারা, তু তো বদলা নাহি হ্যায়
মওসাম জারা সা রুঠা হুয়া হ্যায়”


