
আজকের বাস্তবতা সহজ —“Your portfolio speaks louder than your position.”
Karolis Kosas – একজন ডিজাইনার তার পোর্টফোলিওতে একটি অ্যাপের UI/UX কেস স্টাডি আপলোড করেছিলেন – সমস্যার বিশ্লেষণ, মকআপ, ইউজার টেস্ট, ফলাফল – সবকিছুই নিজস্ব ভঙ্গিতে উত্থাপন করেছিলেন | বিষয়টা Stripe-এর একটি টিমের চোখে পড়ে – ওখানেই তার ক্যারিয়ার শুরু হয়ে যায় |
এমন উদাহরণ অনেক আছে — শুধু “আমি পারি” বললেই এখন আর হচ্ছে না ; “আমি এটা করেছি এবং আমার শো কেসিং আপনার সামনেই আছে ” – এই বিষয়টা এখন চলে এসেছে |
রিজিউম বলে আমরা চিৎকার করলেও, নীরব বিপ্লব শুরু হয়ে গেছে – অপরচিউনিটি এখন মিলছে পোর্টফোলিওর হাত ধরে ।
একটা ওয়েবসাইট, একটা ভিডিও, একটা ই-বুক, একটা ইন্টারঅ্যাকটিভ টুল- এগুলোই এখন নতুন সিভি – আপনার শো কেস, আপনার পোর্টফোলিও |
চাকরি খোঁজা থেকে অচিরেই বুদ্ধিমানেরা মুখ ফিরিয়ে নেবে, তারা তৈরী করবে পোর্টফোলিও – তাদের ডিজিটাল উপস্থিতি প্রমাণ হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে চাকরিদাতাদের সামনে।
আমি বরং আরও বলবো – চাকরির দাসখত নয়, এই বিষয়টা সম্ভবত খুলে দিবে ডিগনিফাইড স্কিল এগ্রিমেন্ট বা মুক্ত কনসালস্টেন্সির দরজা |
আজকের বাস্তবতা সহজ —
“Your portfolio speaks louder than your position.”


