
এটা সেই সঠিক সুইচটা খুঁজে বের করা, যেটা আপনার জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস, আর প্রেজেন্সকে এনার্জাইজ করে দেয়
কতবার এমন হয়েছে, মোবাইলটা মাল্টিপ্লাগে লাগানো আছে, চার্জারও ঠিকঠাক কাজ করছে, সব ঠিক – শুধু ভুল করে পাশের স্লটের সুইচ অন করে রেখেছি | ঘণ্টাখানেক পর দেখি, ফোন এখনও মৃত, কি হতাশা |
সব রিসোর্স ছিল, কিন্তু সিলেকশন ভুল।
আমাদের জীবনে, ক্যারিয়ারেও কিন্তু প্রায় একই ঘটনা ঘটে।
ডিগ্রি আছে, পরিশ্রম আছে, সুযোগও আসে – কিন্তু যদি সঠিক স্কিল সুইচটা অন না করি, তাহলে “চার্জ” হতেই চায় না।
ট্রেনিং মানে কেবল ক্লাসরুমে বসে থাকা নয়, এটা সেই সঠিক সুইচটা খুঁজে বের করা, যেটা আপনার জ্ঞান, আত্মবিশ্বাস, আর প্রেজেন্সকে এনার্জাইজ করে দেয়।
ট্রেইনার হিসেবে আমি জ্ঞানবৃক্ষ হইনি, শোম্যান তো মোটেও না, বারবার শুধু চেষ্টা করেছি, প্রাণপাত করেছি সেই সঠিক সুইচটাকে চিনিয়ে দিতে | যাতে মানুষ শুধু “কাজ শেখে” না, বরং নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা শক্তিটা অ্যাকটিভেট করতে শিখে ফেলে ।
ওটা করতে পারলেই পার্সোনাল গ্রোথ এনসিউর হয়ে যায়, আর এন্ড গেমে কোম্পানি বেনিফিট পেয়ে যায় |
কাজটা কঠিন আর ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ ভুল শুধু পার্টিসিপেন্ট করে না, ট্রেনারও ভুল সুইচ দেখিয়ে দিতে পারে |
কিন্তু কাজটা এতটাই স্যাটিসফাইয়িং যে আমৃত্যু এটাই করে যেতে চাই |
আর আল্লাহর উপর গভীর বিশ্বাস রাখি, প্রার্থনায় এই বলে ঠোঁট কাঁপাই যে ব্যক্তি আর প্রতিষ্ঠানের এই দ্বৈত গ্রোথ ইকুয়েশনে আমি যেন ভুলেও ভুল না করি |


