
প্রিয় রাসূল কিন্তু এমনি এমনি বলেননি – মধ্যম পন্থাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা
বাইরের বাঁধাগুলো ন্যাচারাল | বাঁধাটা নিজের মানুষদের কাছ থেকে যখন আসে, যারা নিজেরা কমফোর্ট জোনে আছেন, প্রিয়জনকেও তাতে রাখতে চান, তখন এটা এক ধরনের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ | মুশকিল হচ্ছে, প্রকৃতি দুটো প্রায় বিপরীতধর্মী স্ট্র্যাটেজি একই সাথে ট্রিগার করে – সেফ জোনে থাকা কিংবা পরীক্ষা সংকুল গ্রোথ পাথে যাত্রা করা |
অনেকেই বলেন, সেফ জোনে থাকা মানেই বিলোপ – সত্য নয় | অনেকে সেফ জোনে থেকেই ভালো করে | প্রচুর এক্সাম্পল আছে | সেফ জোনও তো আসলে মাল্টিলেয়ার্ড, ওখানেও মুভমেন্ট আছ, কোনো কিছুই সম্পূর্ণ স্থির নয় – সেটা সম্ভবই নয় | আল্লাহর এলগোরিদম আমরা আর কতটুকুই বুঝবো ?
ধরুন, রাজশাহী থেকে একজন মেয়ে এসে ঢাকায় জব করছে – কারো কাছে এটা ঝুঁকিপূর্ণ গ্রোথ পাথ আবার কারো কাছে সেফ জোন | এই মেয়েটিই আবার যদি ইউ এস এ তে পড়তে যায়, সেটা আবার কারো কারো কাছে মারাত্মক সংকট সিচুয়েশন ; আবার বিয়ে করে গেলে, সেটা সেফ জোন |
সবকিছু আপেক্ষিক, সব পরিবর্তন হচ্ছে, সব কিছুতেই কম – বেশি গ্রোথ হচ্ছে | বাঁধাও কিন্তু এক ধরনের গ্রোথ ইনিশিয়েট করে – আপনি ডানে না গিয়ে হয়তো বামে যাবেন – সেটাও কি গ্রোথ পাথ হতে পারে না ?
প্রিয়জন বাঁধা দিলে আমি প্রচুর চিন্তা করি, আল্লাহর পক্ষ থেকে তো তারা আমার – আমাদের রক্ষাকবচ | সেই বাঁধার মধ্যে কোনো ইঙ্গিত আছে কিনা, বোঝার চেষ্টা করি | আল্লাহ হয়তো সেই বাঁধার মাধ্যমে আমাদেরকে জানাচ্ছেন – তোমার পথ ঠিক আছে, কিন্তু ক্যালিব্রেশন লাগবে, অর্থাৎ একটু নাড়াচাড়া দিয়ে এডজাস্ট করতে হবে |
বাঁধার পেছনে যদি প্রিয়জনদের, শুভাকাঙ্খীদের আবেগ থাকে, সেটাকে রেজিস্ট করেন না, বরং এনালাইসিস করুন, ইনসাইট খুঁজুন, ক্যালিব্রেট করুন | সিংহভাগ ক্ষেত্রে দু’পক্ষই গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে পারে | এটাই আসল গ্রোথ পাথ
|
প্রিয় রাসূল কিন্তু এমনি এমনি বলেননি – মধ্যম পন্থাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা |
প্রব্লেম এর সল্যুশন এই পথেই থাকে |


