
এটাই স্কিল এগ্রিমেন্ট, উইন-উইন সিচুয়েশন, কোনো দাসখত নয় |
কর্পোরেট আর নন-কর্পোরেট বলে কিন্তু এখন আর আলাদা কিছু থাকছে না | সবই আসলে কাজের জায়গা | প্রথাগত সংজ্ঞা এমনভাবে মার খাচ্ছে যে বড় অফিস, বড় ক্লায়েন্ট, অভিজাত পরিবেশ, বড় পরিসর, অনেক মানুষ, বিরাট লেনদেন, প্রমাণ প্রফিট, চোখ ধাঁধানো ঝা চকচকে লুকস – এইসব থাকার পরও, এর ব্যাক এন্ডে আবার সেই ঘামে ভেজা রিটেইল সেলস আর অপারেশনের চিরন্তন গেইম চলছে | যারা চাকচিক্য দেখে কর্পোরেটে আসতে চান, তাদেরকে বুঝতে হবে, কর্পোরেট আলাদা কিছু নয় – অনেকগুলো রিটেলের কালেকশন মাত্র |
আর গিগ ইকোনমি নামে যে দানবের জন্ম হয়েছে, সে তো প্রায় ওয়ান ম্যান শো | কর্পোরেটের বিরাট ছাতার নিচে, দুনিয়ার ঝামেলা সামাল দিয়ে ৩০০ কোটি টাকার প্রফিট বা শ্যাডো প্রফিট করতে গিয়ে আপনি হার্ট এ রিং পড়িয়ে ফেলছেন, ঐদিকে এক বান্দা তার কী-বোর্ড থেকে যে সফ্টওয়ার উগরে দিয়েছে – ওটা তাকে বিলিয়ন ডলার স্লিপিং রেভিনিউ স্ট্রিমে ভাসাচ্ছে |
কর্পোরেটকে যদি বাঁচতে হয়. এই বান্দাদেরকে তার চিনতে হবে | নিজের বিরাট ছাতার নিচে এমপ্লয়ি নয় – স্টেকহোল্ডার খুঁজতে হবে |
আর নবীনদেরকে আমি বলি – বেতন বা সমতুল্য কিছুর জন্য চাকরি খুঁজবেন না, এগুলো সেকেন্ডারি উদ্যেশ্য হিসেবে নিবেন – মূলটা হবে কাজ শেখা বা কানেকশন স্ট্রিমে ঢোকা | তারপরেই হাত দেবেন নিজের পোর্টফোলিওতে – দেখবেন, আপনি যেমন আয় করছেন, আবার কোম্পানিতে কন্ট্রিবিউট করছেন, আবার কোম্পানিও আপনাকে নিজের স্টেকহোল্ডার ভাবছে | এটাই স্কিল এগ্রিমেন্ট, উইন-উইন সিচুয়েশন, কোনো দাসখত নয় |


